About CIDV

In 2007, a number of human rights organisations, network organisations, and human rights activists jointly formed a citizens’ coalition named “Citizens' Initiative Against Domestic Violence (CIDV)”. CIDV is a network that is committed to prevent domestic violence against women. Every member organisation and individual involved in this initiative is actively working to protect the rights of women and prevent domestic violence against women.

Goal:
The main goal of this coalition is to reform, enact, and implement laws to prevent domestic violence by recognising domestic violence against women as a legal crime, and a violation of fundamental human rights and civil rights.

Purpose:

  • Enactment of specific law on domestic violence
  • Proper implementation of the law
  • Dissemination of law
  • Creating awareness and public dialogue
  • Capacity building of the institutions and professionals involved in the implementation of the law
  • Collaboration between government and non-government organisations

সিআইডিভি সম্পর্কে

পারিবারিক সহিংসতা কি?

 

পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ -এর ধারা ৩ অনুসারে, পারিবারিক সহিংসতা বলতে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েচে এমন কোন ব্যাক্তির দ্বার নারী বা শিশুর শারীরিক বা মানসিক, যৌন বা অর্থনৈতিক নির্যাতন বোঝায়।

এটি শারীরিক নির্যাতনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এবং এমন কোনো আচরণ পর্যন্ত প্রসারিত হয় যা একটি ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যের উপর নিয়ন্ত্রণ বা ক্ষমতা অর্জন বা বজায় রাখার উদ্দেশ্য। এর মধ্যে এমন কোনও আচরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা কাউকে ভয় দেখায়, আতঙ্কিত করে, আঘাত করে, অপমান করে, দোষ দেয়, আহত করে বা কাউকে আহত করায়। 

পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। এটির একটি ধরন আপত্তিকর আচরণ যা সময়ের সাথে সাথে  বৃদ্ধি পায়। এটি গুরুতর আঘাত বা, কিছু ক্ষেত্রে, মৃত্যুর কারন হতে পারে।

 

পারিবারিক সহিংসতা কখনোই ভুক্তভোগীর দোষের কারনে ঘটেনা।

 

 কারা সহিংসতদার শিকার হন? 

জাতি, ধর্ম, বয়স ,লিঙ্গ নির্বিশেষে যে কেউই শিকার হতে পারে। এটি সমস্ত আর্থ -সামাজিক অবস্থা এবং শিক্ষার স্তরের মানুষকে প্রভাবিত করে। 

বাংলাদেশে পারিবারিক সহিংসতার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত ২০১৫ সালের একটি জরিপে দেখা গেছে যে বিবাহিত নারী ও মেয়েদের মধ্যে শতকরা ৭০% এর বেশি পারিবারিক  সহিংসতার শিকার হয়েছে। তা সত্ত্বেও, জরিপে দেখা গেছে যে বেশিরভাগ ভুক্তভোগী কখনও কাউকে বলেনি এবং ৩% এরও কম আইনগত সহায়তা গ্রহন করেছেন। এটি “২০২৫ সালের মধ্যে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা বিহীন সমাজ" গড়ে তোলার বাংলাদেশের জাতীয় পরিকল্পনার মুখোমুখি।

 

পারিবারিক সহিংসতার ধরন

মানসিক নির্যাতন: নাম ধরে ডাকা, হুমকি, দোষারোপ

অর্থনৈতিক নির্যাতন: অর্থ বা সম্পদে আপনার প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা। নির্যাতনকারী ভুক্তভোগীকে কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে, জোরপূর্বক তাদের বেতন বা মজুরী  নিয়ে যায।

যৌন নির্যাতন: নির্যাতনকারীরা ভুক্তভোগীদের যৌনকর্ম সম্পাদনে বাধ্য করতে পারে বা করতে বাধ্য করে যা তারা সম্মত নয়।

জোড়পূর্বক নিয়ন্ত্রণ: নির্যাতনকারী সময়ের সাথে আচরণের একটি ধরন ব্যবহার করতে পারে যাতে ভুক্তভোগীর উপর ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ থাকে।

শারীরিক নির্যাতন : মারধর, আঘাত করা, চড় মারা ইত্যাদি।

প্রযুক্তিগত অপব্যবহার: নির্যাতনকারীরা ভয় দেখানোর জন্য হুমকি  বার্তা পাঠাতে বা ফোন কল করতে পারে। তারা ভিকটিমের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করতে পারে, দাবি করতে পারে বা এতে তাদের ব্যবহার সীমিত করতে পারে। তারা ভুক্তভোগীর  ছবি ইন্টারনেটে শেয়ার করার হুমকি দিতে পারে|

পারিবারিক ও পারিবারিক সহিংসতার কয়েকটি লক্ষণ কী কী?

অবমাননাকর সম্পর্কের অনেক লক্ষণ রয়েছে। সহিংসতার শিকার ব্যক্তিটির ধারনা হয় তার দ্বারাই কোন ভুল করেছে, যা সহিংসতা বা অপব্যবহারের কারণ হতে পারে। এটি সঠিক না।   সহিংসতা এবং নির্যাতন কখনই ঠিক নয়। এটি ভুক্তভোগীর দোষ নয়। এবং
এটি আইনের পরিপন্থী। সহিংসতার শিকার ব্যক্তিটি :

  • তার সঙগীকে ভয় পায় বা তার সঙ্গীকে খুশি করতে সর্বদা উদ্বিগ্ন থাকে
  • বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়
  • উদ্বেগ, হতাশাগ্রস্থ  হয়ে পরেন  বা আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন
  • অপ্রকাশযোগ্য  শারীরিক আঘাত থাকে
  • নিজেকে বোঝায় তার সঙ্গী  তাকে নিয়ে হিংসা করে,বা খারাপ মেজাজে রয়েছে
  • তার সঙগীর নিকট  তার সন্তানদের ছাড়তে চাননা
  • তার কিছু করতে বা খরচ করতে অর্থ ব্যয় করার অনুমতি চাইতে হবে বলে মনে করেন
  • তিনি বলেন তার সঙগী তার অর্থ নিয়ন্ত্রণ করে
  •  তার সঙগী চাপ প্রয়োগ করে  বা বলপ্রয়োগ করে তার যৌন কাজ করতে বাধ্য করে

যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ পারিবারিক সহিংসতা অনুভব করছেন, জরুরি অবস্থার জন্য অবিলম্বে ৯৯৯ কল করুন বা সমর্থন এবং পরামর্শের জন্য নিম্নলিখিত হটলিনগুলিতে কল করুন|

  • নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর সহায়তার জন্য জাতীয় হেল্পলাইনঃ ১০৯
  • বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)ঃ ০১৭১৫ ২২০২২০
  • আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)ঃ  ০১৭২৪৪১৫৬৭৭, ০১৭৩০৪৫০৭৫৬, ০১৭১৪০২৫০৬৭
  • আমরাই পারি (ওই ক্যান): ০১৭১৭৫৮২২৬১, ০১৭৯৪৬২৬৬৪৭
  • বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতিঃ ০১৭১১৮০০৪০১ ,০১৭১১৮০০৪০৫ ,০১৭১১৮০০৪০৬, ০১৭১১৮০০৪০৮