নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
তেজগাঁও থানা সভা
৩ ফেব্রæয়ারী ২০২১

ভূমিকা:
পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীকে ‘পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা ) আইন ২০১০ সেবাপ্রদানে থানার ভূমিকা ও করণীয় নির্ধারণ নিয়ে গত ৩ ফেব্রæয়ারী ২০২১ তারিখ বেলা ১১:৩০ মিনিট থেকে ২:৩০ মিনিট পর্যন্ত তেজগাঁও থানায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা পরিচালনায় অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাগত বক্তব্য ও নারীপক্ষ পরিচিতি :
অংশগ্রহণকারী সবাইকে নারীপক্ষ’র শুভেচ্ছা জানান, শাহানাজ আক্তার সহ প্রকল্প ব্যবস্থাপক (পলিসি ও এ্যাডভোকেসী), নারীপক্ষ। তিনি বলেন, নারীকে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে অধিকারসম্পন্ন নাগরিক ও মর্যাদাসম্পন্ন মানুষ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে ১৯৮৩ সাল থেকে নারীপক্ষ কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রতিটি মঙ্গলবার সদস্যরা সভায় বসছেন। এই সভা নারীর নিজস্ব কথা বলার একটি জায়গা এবং নারীপক্ষ’র সকল তৎপরতা ও আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল। নারীর সমঅধিকার ও সমমর্যাদা অর্জনের জন্য নেয়া হয়েছে বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট ও ভিন্নমুখী কর্মসূচী। তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষ করে।

পরিচয় পর্ব:
নাম পদবী বলার মধ্য দিয়ে পরিচয় পর্ব শেষ হয়।

অংশগ্রহণকারী:
পুলিশ পরিদর্শক (পিপিএম, তদন্ত ও অপারেশন) ৩ জন সাব ইন্সপেক্টর ৮ জন, এএস.আই ৭ জন কনষ্টবল ৬ জন নারীপক্ষ’র প্রতিনিধি ২ জন সহ মোট ২৪ জন সভায় অংশগ্রহণ করে।

সভার উদ্দেশ্য:
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ সম্পর্কে ধারনা প্রদান

প্রকল্প সম্পর্কে উপস্থাপনা: নারীর অধিকার ও নিশ্চিতকরণ প্রকল্প সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন শাহানাজ আক্তার, সহ প্রকল্প ব্যবস্থাপক (পলিসি ও এ্যাডভোকেসি)


মুক্তালোচনা: পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মুক্তালোচনা পর্বটি পরিচালনা করে। তিনি বলেন, পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীরা থানায় আসে। যেহেতু এই আইন সম্পর্কে ধারণা নাই সেইজন্য আমরা নারী ও শিশু আইনে নারীদের সেবা দিয়ে থাকি। পারিবারিক সহিংসতা বন্ধ করতে হবে নিজ নিজ পরিবার থেকে। নিজেকে চেঞ্জমেকার হিসাবে কাজ করতে হবে। ফলে আশে পাশে মানুষের মাঝেও পরিবর্তন আসবে। শাহানাজ আক্তার জানতে চান যে, আপনাদের কার কার এই আইন সম্পর্কে ধারণা রয়েছে। উত্তরে এসআই তৌফিক হোসেন এর মতামত অনুুসারে উঠে আসে যে বিষয়টিতে তার পূর্ন ধারনা রয়েছে। এছাড়াও আফরোজা বেগম, এসআইন (নারী ও শিশু ডেস্ক) ও এসআই আব্দুস সালাম এর ধারণা রয়েছে। বাকী অংশগ্রহণকারীরা (৩জন পুলিশ পরিদর্শক ছাড়া) বলেছেন যে তাদের এ বিষয়ে ধারনা নেই।

পরিশেষে, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভা শেষ করেন।
চ্যালেঞ্জ:
১. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যিনি আসামী এ্যারেস্ট করেন তিনিই আবার উক্ত এলাকায় ডিউটি করেন এবং জবানবন্ধি নেন। আলাদা সেক্টরে কাজ করলে কাজটি সহজ হতো
২. মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা যে আইনি সহায়তা দেয় সেটা থানা জানেনা

প্রতিবেদন তৈরি,
সৈয়দা সালমা পারভীন
সহ প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মনিটরিং ও ডকুমেন্টেশন)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *